Showing posts with label ডাক্তারের পরামর্শ. Show all posts
Showing posts with label ডাক্তারের পরামর্শ. Show all posts

Thursday, September 25, 2014

ভাত খাওয়ার পর যে পাঁচটি কাজ করবেন না !!!

- 0 comments
পৃথিবীতে অন্তত তিনশ কোটি মানুষের প্রধান খাবার ভাত ৷চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যরক্ষায় ভাত খাবার পর পাঁচটি কাজ করতে অনুৎসাহিত করেন। এগুলো হলো:

১. ভাত খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা ১/২ ঘণ্টা পর ফল খাবেন। কেননা, ভাত খাওয়ার পরপর কোনো ফল খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

২. সারাদিনে অনেকগুলো সিগারেট খেলে যতখানি ক্ষতি হয়, ভাত খাওয়ার পর একটি সিগারেট বা বিড়ি তার চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি করে। তাই ধূমপান করবেন না।


বিস্তারিত
[Continue reading...]

Tuesday, October 8, 2013

মৃত্যু অনিবার্য, তবু প্রাণ বাঁচানোর লড়াই চলে

- 0 comments
মৃত্যু অনিবার্য, তবু প্রাণ বাঁচানোর লড়াই চলে
চিকিৎসক ও নার্সের জীবনে একটি অভিজ্ঞতা হয়। তাঁদের সামনে অনেক সময় মানুষের মৃত্যু ঘটে যায়। অনিচ্ছা সত্ত্বেও এ করুণ পরিণতি দেখতে হয়। অনিবার্য হলেও করুণ। এমন হয় যে মৃত্যুর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চলে—আধুনিক চিকিৎসায় যা সম্ভব, করা হয়, তবু অনেকের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয় না।

দেহের কোনো কোনো অঙ্গ, ফুসফুস, নয়তো হৃৎপিণ্ড অথবা যকৃৎ এত দুর্বল হয়ে যায় যে এগুলো কাজ করতে পারে না। তবে এ ধরনের মৃত্যু এত আচমকা হয়তো আসে না, পরিবার-পরিজনের উপস্থিতিতে, তাঁরা জানে কী ঘটতে যাচ্ছে। সব মৃত্যুর মতো, এ মৃত্যুও কঠিন, তবে বেশ নিয়ন্ত্রণে ঘটে, অতটা বিস্ময়ের ব্যাপার হয় না, ভবিতব্য কিছুটা বোঝা যায়।

আবার অন্য রকমের মৃত্যুও আছে, দ্রুত, অতটা সচরাচর নয়, প্রাণ শরীরকে ছেড়ে যায় মুহূর্তের মধ্যে। হাসপাতালে একে বলে ‘Condition A’ A মানে Arrest. যেমন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। এ ক্ষেত্রে রোগীর হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় এবং একে আবার শুরু করার প্রচেষ্টা নিতে হয়।

ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা আইসিইউতে এ ধরনের অভিজ্ঞতা হয় নার্স ও ডাক্তারদের। হাসপাতালে কর্মরত একজন নার্স যে ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, তাই বলি। নামধাম সব কাল্পনিক, বাকি ঘটনা সত্য।
সেই নার্সটি নতুন যোগদান করেছেন হাসপাতালে, তাঁকেই প্রথমই মুখোমুখি হতে হয়েছিল Condition A রোগীর।

বয়স্ক মহিলা, ফুসফুসের ক্যানসার। তেমন সমস্যা ছিল না প্রথমে কম কম জ্বর—কয়েক দিন ধরে হচ্ছিল। হঠাৎ করে কাশির সঙ্গে রক্ত পড়ল, তাই তিনি ভর্তি হয়েছিলেন। একে মোকাবিলা করা হয়েছিল, সেই বিকেলে ছেড়ে দেওয়া হবে, এমনও স্থির করা ছিল। সকালে রোগীর রুটিন পরীক্ষা শেষে বেশ আশ্বস্ত, স্টুডেন্ট নার্সের হাতে তাঁকে দিয়ে আরও গুরুতর রোগীর প্রতি নজর দিলেন তিনি। ভাবলেন, আজ দিনটা নিরুপদ্রব যাবে। আধা ঘণ্টা পর ফোন এল, ‘শর্মিলা, ১০২২ নম্বরে তোমাকে চাই।’ সেই রোগী ১০২২ নম্বরে। হাতের কাজ থেমে গেল শর্মিলার। তিনি ঘরে গেলেন। সহকর্মী রেজিনা রোগীর কাছে ছিলেন, বেরিয়ে যেতে যেতে বললেন, ‘রোগী রক্তবমি করছেন।’ রেজিনা নার্সিং স্টেশনের দিকে যাচ্ছেন ডিউটি চিকিৎসককে ডাকতে। শর্মিলা বললেন, ‘রোগীর কক্ষে ঢুকে দেখলাম তাঁর নাক, মুখ দিয়ে রক্ত পড়ছে অবিরাম।’

হাতে গ্লাভস পরা ছিল, মুখে মাস্ক পরে নিলেন শর্মিলা, কাছে এসে তাঁর কাঁধে হাত রাখলেন। ‘ব্যথা করছে খুব?’ মনে হলো, তাঁর অন্ত্রনালি থেকে রক্ত ঝরল কি না। রোগী মৃদু স্বরে বললেন, ‘না।’

রোগীর চোখে কী ছিল? আতঙ্ক? ভয়? হতাশা? তার নিজের রক্ত গলায় ঘড় ঘড় করছে, একে বের করার জন্য সাকশন পাম্প লাগানো প্রয়োজন...
রোগী উঠে দাঁড়াতে চেষ্টা করলেন, রক্তবমি করে পাশের পাত্রে ফেলার জন্য, কিন্তু...


শর্মিলা বললেন, ‘না, উঠে দাঁড়াবেন না।’

তিনি আবার বসে পড়লেন, কাঁপতে লাগলেন তিনি। এরপর পেছন দিকে বিছানায় ধপাস করে পড়ে গেলেন। ‘ডাকুন আইসিইউ টিমকে’ শর্মিলা উচ্চস্বরে বললেন।
রোগীর নাড়ি দেখলেন শর্মিলা। নেই। সিপিআর শুরু করলেন তিনি। Condition A। সেই ফ্লোরে অন্য নার্স, নিয়ে এলেন বোর্ড। নরম বিছানায় সিপিআর ঠিক হয় না।

কঠিন বোর্ডে ঠিকমতো হয়। শর্মিলা ও ডিউটি চিকিৎসক মিলে তাকে ওঠালেন হার্ডবোর্ডে। বেশ ভারী শরীর। সিপিআর চলতে লাগল। ইতিমধ্যে কনডিশন টিম পৌঁছে গেল। খুবই দ্রুত এল তারা। ইনটেনসিভ কেয়ারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আইসিইউ নার্স, রেসপিরেটরি থেরাপিস্ট, পালমোনলজিস্ট, অ্যানেসথেশিয়ার চিকিৎসক—বড় একটি টিম পৌঁছে গেল রোগীর কাছে। রেসপিরেটরি থেরাপিস্ট সিপিআরে হাত দিলেন, শর্মিলা ছেড়ে দিলেন। সহকর্মী আইসিইউ নার্স নবনী তাঁর আইভি পাম্পে লাগালেন বাড়তি চ্যানেল, কী ঘটছে তা রেকর্ড করা হচ্ছিল। প্রায়ই বলছিল, ‘পেশেন্ট আবার অ্যাসিসটোলে...’ হৃদস্পন্দন নেই...।

আইসিইউ টিম রোগীর ওপর চেষ্টা চালাল প্রায় আধা ঘণ্টা। গলা দিয়ে একটি নল ঢোকানোর চেষ্টা। যদি কিছু দেওয়া যায় অক্সিজেন। কিন্তু এত রক্ত, কিছু দেখা গেল না। শেষ পর্যন্ত শ্বাসযন্ত্রে ছিদ্র করে দেওয়া, তবু এত রক্তে পরিপূর্ণ...।

তরল দেওয়া হলো, শিরাপথে ওষুধও দেওয়া হলো, হৃৎপিণ্ড পুনরায় শুরু করার চেষ্টা। হূদছন্দে অনিয়ম হলে একেও নিয়মিত করার জন্য ওষুধও প্রয়োগ করা হলো। ‘সঠিক কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ হলে সমস্যা হলো ওষুধে তেমন কাজ হয় না। কারণ হৃৎপিণ্ড ছন্দে ছন্দে স্পন্দিত হয় না বলে উদ্দীপিত হওয়ার ক্ষমতা থাকে না। ওষুধের ভান্ডার যা ছিল ওয়ার্ডে, তাও উজাড় হলো, কাজ হলো না। জরুরি চিকিৎসায় যা যা করার তা হলো। অ্যাসিসটোলকে ফ্ল্যাট লাইনিং বলে জানি আমরা। একেবারে সরলরেখা। স্পন্দনহীন। তবে সে রোগীর ঠিক যে স্বাভাবিক হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন হঠাৎ করে সরলরেখা হয়েছিল, তাও নয়। শর্মিলার ভাষ্য, তাঁর সে রোগীর হৃদস্পন্দরেখা টলমল করছিল, ঠিকমতো গঠিত হচ্ছিল না, মাঝেমধ্যে ছন্দহীন স্পন্দনের উঁচু-নিচু রেখা স্বল্প সময়ের জন্য, আবার হঠাত্ নিয়মিত স্পন্দন... কারণ রোগী জীবনের ওপারে চলে গেলেও সিপিআরের ফলে বুকের সংচাপনে মনিটরে প্রকৃত হৃত্ছন্দ তৈরি করছিল অকস্মাত্...। প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেল রোগীর। তিনি যখন পেছনে বিছানায় ধপাস করে পড়ে গেলেন, তখনই হয়তো প্রাণপাখি বেরিয়ে গেল তাঁর... তাঁকে বাঁচানোর সব চেষ্টা করা হলো... ফেনা ফেনা রক্ত বেরিয়ে এল... ফুসফুস থেকে উগলে ওঠা জিনিস সাকশন পাম্পকে রোধ করল... সব করেও তাঁকে বাঁচানো গেল না।

চিকিৎসকেরা বলাবলি করছিলেন: টিউমারটির অংশবিশেষ ভেঙে গিয়ে পালমোনারি ধমনিকে দীর্ণ করেছে অথবা হৃৎপিণ্ডে বড় প্রতিরোধ স্পষ্ট করেছিল। আপাতদৃষ্টে ফুসফুসের ক্যানসার রোগীর ক্ষেত্রে এমন ঘটতে পারে সতর্ক সংকেত ছাড়াই। তবে অটোপসি না করলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে না।

শর্মিলা নার্সিংয়ে এসেছিলেন শখের বশেই। John Donne-এর একটা কথা তাঁর জানা ছিল না—
Death be not proud, though some have called thee
Mighty and dreadful, for thou art not so.
কিন্তু সে রোগীর মৃত্যু দেখে তা মনে হবে না।

কী করা যায় তাহলে? ফিরে যান ঘরে, সন্তানদের আদর করুন, কলহ আর নয়, ভালো খাবার খান। হাঁটুন ঘনঘোর বরষায়। মুখের ওপর রোদের আলো পড়লে ঘরে যাবেন না। হাসুন, খুব জোরে, যতদূর সম্ভব কখনো কখনো নিজের প্রতিও হাসুন। কারণ মৃত্যুর প্রতিষেধক তো কবিতা নয়, নাটকও নয়, জাদু ওষুধও নয়, ঘরভর্তি প্রযুক্তিও নয়। সদিচ্ছাও নয়। মৃত্যুর প্রতিষেধক হলো জীবন। কেবলই জীবন। ‘চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে’—জীবনের কি এই নাম!’

**************************
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরীর কলম থেকে
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল
সাম্মানিক অধ্যাপক, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
[Continue reading...]

প্রখম গর্ভধারন মা

- 0 comments
একজন মহিলা যখন প্রখম বারের জন্য গর্ভধারন করেন তার কাছে অনেক কিছুই অজানা থাকে, এই সামান্য কিছু অজানা তথ্যের জন্য অনেক ধরনের কুসংস্কার মায়ের উপর চাপিয়ে দেয় অনেকেই। এজন্য গর্ভধারনের পরপরই একজন স্ত্রীরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত। এতে যে শুধু মা সুস্থ্য থাকবে তা নয়, গর্ভের শিশুটির নিরাপত্তাও এর সাথে জড়িত। সাধারনভাবে এ সময়টাকে মা’কে অল্প কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হয়, নিচে তেমন কিছু নির্দেশ লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করা হলো।

১. খাদ্যঃ মাকে এ সময় পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও অধিক আমিষ বা প্রোটিনযুক্ত খাবার খেতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে খাদ্য তালিকায় শাক-সব্জি এমন পরিমানে যেনো রাখা হয় যাতে ভিটামিন এর অভাব না হয়। একজন ৫০ কেজি ওজনের মায়ের জন্য আদর্শ খাবারে নুন্যতম ২৫০০ কিলোক্যালরি শক্তির যোগান থাকতে হবে।

২. বিশ্রাম ও ঘুমঃ একজন গর্ভবতী মাকে একটি সুস্থ্য সন্তান জন্ম দেবার জন্য কিছুটা বাড়তি বিশ্রাম ও ঘুমানোর প্রয়োজন রয়েছে। দিনে ২ ঘন্টা ঘুম সহ দৈনিক নুন্যতম ১০ ঘন্টা ঘুমানো মায়ের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

৩. কোষ্ঠঃ লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন মা এর যেনো কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দেখা না দেয়, এতে গর্ভের সন্তান্টির উপর চাপ পড়তে পারে, এজন্য নিয়মিত মলাশয় খালি করতে হবে। বেশী বেশী শাক-সবজি খেলে এ সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৪. স্তনঃ এসময় স্তন সামান্য বড় হতে পারে, স্তনের বোটায় ও কিছু পরিবর্তন আসে, স্তন সামান্য টনটন করাটাও স্বাভাবিক। এসব কারন মাথায় রেখে স্তনের বিশেষ যত্ন নিতে হবে।

[Continue reading...]

মেয়েদের প্রস্রাবের সংক্রমণ

- 0 comments
প্রস্রাবের রাস্তায় সংক্রমণ হয় না এমন লোক বিরল। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সচরাচর সংক্রমণ বেশি হয়। এর কারণ হলো মেয়েদের মূত্রনালী ছেলেদের তুলনায় অনেক ছোট, পায়ুপথ এবং মূত্রনালীর দূরত্বও অনেক কম। ফলে জীবাণু খুব সহজে পায়ুপথ থেকে মূত্রনালীতে প্রবেশ করতে পারে এবং সংক্রমণ ঘটায়।

রোগের কারণ
1. প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগের কারণ হলো ই-কলাই নামক জীবাণু। এই জীবাণু অসতর্ক মুহূর্তে পায়ু লাকা থেকে মূত্রনালীতে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়। এ ছাড়া প্রোটিয়াস, সিউডোমোনাস, স্ট্রেপটোকক্কাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাই, ক্লেবসিয়েলা প্রভৃতি জীবাণু মূত্রপথের সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে।
2. প্রস্রাব করার সময় মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি না হওয়া (এটা সাধারণত ঘটে প্রোস্টেটগ্রন্থি বড় হওয়া, মূত্রনালী সঙ্কীর্ণ হওয়া, মূত্রথলিতে স্নায়ুজনিত দুর্বলতা প্রভৃতি কারণে)।
3. মূত্রতন্ত্রের পাথর, বাইরের কোনো বস্তু থাকলে কিংবা টিউমার হলে।
4. যৌনসঙ্গমের ফলে মূত্রনালীতে আঘাত লাগলে। (এ ক্ষেত্রে পেরিনিয়াম থেকে ব্যাকটেরিয়া মূত্রথলিতে স্থানান্তর হতে পারে)।
[Continue reading...]

Saturday, October 5, 2013

হার্টের কথা জানি, কতটুকু জানিঃ

- 0 comments
হার্ট স্মার্ট বলে কথা। হার্ট সম্পর্কে অনেকেই
জানেন অনেক কিছু। আবার কিছু কিছু জিনিস জানার বাইরেও রয়ে যায়।
* কেউ বলেন, হার্ট অ্যাটাকের সময় হূদ্স্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়, এটা ঠিক নয়। হার্ট অ্যাটাকের সময় হূদ্যন্ত্র স্পন্দিত হতে থাকে, তবে হার্টের টিস্যুতে রক্ত সরবরাহ রোধ হয়; মৃত্যু ঘটে টিস্যুর। আর হার্ট হঠাৎ কাজ করা বন্ধ
করে দিলে একে বলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট।
* হার্ট অ্যাটাকে নারীদের চেয়ে পুরুষের মৃত্যু
বেশি হয়, এ-ও ঠিক নয়। পুরুষের ক্ষেত্রে অবশ্য
এটি দেখা দেয় আগে। কিন্তু ঋতুবন্ধের পর
নারীরা বেশ কাবু হন হূদেরাগে, মৃত্যু হয়ও এতে। তাই
প্রায় সমান বিপর্যয় ঘটে বললেই ঠিক হবে। যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ১ নম্বর ঘাতক হলো হূদেরাগ। এরপর স্তন ক্যানসার।
* হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এমন সন্দেহ হলে দেরি করা ঠিক নয়। শুয়ে-বসে বা বিশ্রাম নিয়ে সময় কাটানো বোকামি।

[Continue reading...]

ঘৃতকুমারীর উপকারীতা

- 0 comments
ঘৃতকুমারীর বা এ্যালোভেরা গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা কম বেশি

অনেকেই জানি। এটি চামড়ার মসৃণতা, ত, মেছতা ও ফোঁসকা নিরাময়ে বেশ উপকারি। কিন্তু ঘৃতকুমারীর রস স্বাস্থ্যের জন্য যে কতটা উপকারি তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই। চলুন সংেেপ ঘৃতকুমারী বা এ্যালোভেরার রসের কয়েকটি উপকারিতার কথা জেনেনি
হজমি সহায়ক ঃ
নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস পানে পরিপাক প্রক্রিয়া সহজ হয়। ফলে দেহের পরিপাকতন্ত্র সতেজ থাকে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাছাড়া ডায়েরিয়া সারাতেও ঘৃতকুমারীর রস দারুণ কাজ করে।
শক্তিবর্ধক ঃ
আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় এমন কিছু উপাদান থাকে যা দেহে কান্তি ও শ্রান্তি আনে। কিন্তু নিয়মিত ঘৃতকুমারীর রস সেবন শরীরের শক্তি যোগানসহ ওজনকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
রোগপ্রতিরোধ মতা বাড়ায় ঃ
যারা দীর্ঘকাল ফিব্রোমিয়ালজিয়ার মতো সমস্যায় ভুগছেন তাদের েেত্র ঘৃতকুমারীর রস দারুণ কাজ করে। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।

[Continue reading...]

জুতা খোলার পর পা থেকে দুর্ঘন্ধ বেরোয় ?

- 0 comments
জুতা পায়ে দিলে অনেকেরই পায়ে দুর্গন্ধ হয়। শীতকালে এ সমস্যা হয় বেশি। যার পা থেকে দুর্গন্ধ বের হয়, সে দুর্গন্ধটা তেমনভাবে টের না পেলেও আশেপাশে যারা থাকে তারা বাজে গন্ধটা পায় বিকটভাবে। জুতা বা মোজা খোলার সাথে সাথে বিশ্রী গন্ধ ছড়িয়ে পরে চারদিক! তখন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরতে হয়। আর আশেপাশে থাকা লোকজনও অস্বস্থি বোধ করে, বিরক্তও হয় বটে!

এ সমস্যার জন্য এ্যালপ্যাখি কোনো চিকিৎসা নাই ,একমাত্র হোমিওপ্যাথিই এর চিকিৎসা আছে।হোমিওপ্যাথি মেডিসিন এ সমস্যার জন্য দ্রুত ও সল্পসময়ের মধ্যেই রেজাল্ট পাওয়া যায়।

পায়ে দুর্গন্ধ কেন হয় ?

[Continue reading...]

ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর

- 0 comments
ধূমপানের কুফল হিসেবে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি বৃদ্ধি, মস্তিস্কে রক্ত চলাচলে বাধা, যৌন ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা ক্ষতিকর দিক রয়েছে ধূমপানের।

অনেকেই ধূমপান নামক এই ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কি‘ নানা কারণে ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৩টি উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব।

এই ১৩টি উপায় হচ্ছে-

১) প্রথমে সিদ্ধা- নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কামাতে।
২)কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিকনয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।

[Continue reading...]

বাবা মায়ের রক্ত একই গ্রুপের পজেটিভ নেগেটিভ হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হবে?

- 0 comments
স্বামী-স্ত্রীর একই গ্রুপ অর্থাৎ একজনের এ+ অন্য জনের বি+ কোন সমস্যা নয়।
তবে একজনের এ+ অন্য জনের বি -নেগেভিট হলে সেক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই বিয়ের পুর্বে রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়া উচিত।

থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার :
থ্যালাসেমিয়ার জন্যে দায়ী জোড়া জিনের একটা অংশ থ্যালাসেমিয়া জিন, আরেক্টা অংশ স্বাভাবিক এরকম কেউ। এদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে রোগটা প্রকাশ পায় না। এটা আপনিও হতে পারেন, আমিও হতে পারি। সারাজীবনটা জিনটাকে বয়ে বেড়ালেও অসুখের উপসর্গ দেখা দেবার সম্ভাবনা নেই।

শিশুরা যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন রক্তের হিমোগ্লবিনকে বলে হিমোগ্লবিন এফ (HBF)। জন্মের পরে তা পরিনত হিমোগ্লবিনে পরিনত হয়।

থেলাসেমিয়াতে HBF পরিনত হিমোগ্লোবিনে রুপান্তরিত হয় না। ফলে তা ১২০ দিনের আগেই ভেঙে যায়। ১২০ হলো পরিনত হিমোগ্লবিনের লাইফ সাইকেল।

[Continue reading...]

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ২০টি উপায়

- 0 comments

আপনি যত টাকাই আয় করেন না কেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করার পর আপনাকে এর কারণে কর দিতে হয়। যাকে বলা হয় আয়কর। আর এই আয়করের বেশির ভাগ অংশই খরচ হয় দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর পেছনে। কেননা বিপদে এরাই সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঠিক এ রকমভাবেই আপনার শরীরেও রয়েছে প্রতিরক্ষাবাহিনী এবং একেও নানাভাবে হাতে রাখতে হয়। যাতে করে এরাও সময়মতো কাজে লাগতে পারে। ব্যাপারটা একটা উদাহরণ দিলে ঠিকমতো বোঝা যাবে। যেমন ধরুন আপনি জনবহুল একটি এলাকা দিয়ে যাচ্ছেন। এমন সময় আপনার পাশেই কেউ একজন ‘হ্যাচ্চোও’ করে একটি হাঁচি দিল। সঙ্গে সঙ্গে আপনার ত্বকের জীবাণুবিরোধী উপাদান এবং আপনার মুখ ও নাকের মিউকাস পর্দা ছাঁকনির মতো জীবাণুগুলোকে আটকে ফেলতে চেষ্টা করে। এই ছাঁকনি যদি ঠিকমতো কাজ করতে না পারে তাহলে জীবাণুগুলো আপনার শরীরে প্রবেশ করে এবং আপনার কোষে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে নিজ বংশবৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা চালায়।
ঠিক তেমনি আপনার অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ শুরু করে। আপনার প্লীহা এবং নাসিকার ‘নড’গুলো সাহায্য চায় ‘শ্বেত রক্তকণিকা’-এর কাছে। ‘শ্বেত রক্তকণিকা’ যাকে ‘টি সেল’ও বলা হয়ে থাকে তারা ভাইরাসগুলোকে খুঁজে বের করে এবং মেরে ফেলার চেষ্টা করে এবং যদি তারা না মারতে পারে তাহলে এগিয়ে আসে ‘বি-সেল’।
[Continue reading...]

মেয়েদের দাড়ি-গোঁফ : হার্সুটিজম

- 0 comments

মাথাভর্তি চুল নারী-পুরুষ উভয়ের ব্যক্তিত্ব ও শোভা বাড়ায়, আর দাড়ি-গোঁফ পুরুষালি বৈশিষ্ট্য হলেও কখনও কখনও এটা নারীদের জন্য একটা বিব্রতকর সমস্যা হয়ে দেখা দেয়। চিকিৎসাশাস্ত্রে এ পরিস্থিতিকে হার্সুটিজম (Hirsutism) বলে,
যাতে মেয়েদের ঠোঁটের উপরি ভাগে, গালে, চিবুকে, বুকে, স্তনে, তলপেটে, নিতম্বে অথবা কুঁচকিতে শক্ত-কালো চুল (terminal hair) গজায়। এ রোগে বাড়তি চুলের পাশাপাশি মাথায় টাক, পুরুষালি পেশি গঠন, গভীর কণ্ঠস্বর, ব্রণ, মাসিক বন্ধ, স্থূলতা, বন্ধ্যত্ব, ডায়াবেটিস ইত্যাদি থাকতে পারে।
কারণ :
কিছু কিছু জাতিগোষ্ঠীতে স্বাভাবিকভাবেই নারীদের দাড়ি-গোঁফের মতো পুরুষালি চুল থাকে। যেমন_ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া, পূর্ব ইউরোপ এবং দক্ষিণ ইউরোপের কিছু অঞ্চল, অন্যদিকে এশিয়ান এবং ভারতীয়দের শরীরের এসব স্থানে চুল কম গজায়। তবে ৪.৭% ক্ষেত্রে কোন বিশেষ কারণ ছাড়াই হার্সুটিজম হতে পারে।
[Continue reading...]

ক্যান্সার থেকে বাঁচাতে পারে ৮টি মশলা

- 0 comments

পড়লে উপকার আপনারই হবে...না পড়লে চরম মিস...!!!

হলুদ :-
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন নামটা। হলুদই কিন্তু সেই জাদু মশলা যা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়তে আপনার শরীরকে সাহায্য করে। এতে রয়েছে শক্তিশালী কারকিউমিন পলিফেনল। অনেকদিনের গবেষণার পর প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, কারকিউমিন ক্যান্সার সেলের গ্রোথকে নিয়ন্ত্রণ করে। কারকিউমিন শরীরে অ্যাপপটোসিস তৈরি করে যা শরীরে ক্যান্সারের জন্ম দেওয়া ক্ষতিকারক সেল মেরে ফেলতে সাহায্য করে। মেলানোমা, ব্রেস্ট ক্যান্সার, ব্রেন টিউমার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার মতো ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে হলুদ।

মৌরি:-
খাওয়ার পরে মুখসুদ্ধি হিসেবে প্রত্যেক গৃহস্থ বাড়িতেই মজুত থাকে মৌরি। কিন্তু ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধে এই মৌরিই যে এক শক্তিশালী যোদ্ধা তা কি জানতেন? মৌরিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যানসার প্রতিরোধে খুবই উপকারী। মৌরিতে রয়েছে অ্যানেটহোল যা ক্যান্সার সেলের আক্রমণমূলক কার্যকলাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

[Continue reading...]

Wednesday, October 2, 2013

মানলে উপকার আপনারই হবেঃ

- 1 comments

১.সকালে সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠা উচিত।মুখ ধুয়েই এক থেকে দুই গ্লাস পানি খা‌ওয়া ভাল।এতে সহজে কোন পেটের রোগ হয় না।

২.পানি খাবার পর কিছুক্ষন খোলা জায়গায় হাটা উচিত।সকালের বিশুদ্ধ বাতাস শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।

৩.খালি পেটে চা বা কফি খাওয়া ঠিক না ।খাবার আগে অবশ্যই কিছু খাওয়া প্রয়োজন।

৪.খাবার যতদূর সম্ভব নিয়মিত খাওয়া উচিত।খিদে না পেলে কখনই খাওয়া উচিত নয়,আবার খু্ব বেশী বা খুব কম খাওয়াও উচিত নয়।

৫.সপ্তাহে বা ১৫ দিনে একদিন উপবাস করলে পাকস্থলির কর্মক্ষমতা ঠিক থাকে।আমাবশ্যা বা পূর্ণিমাতে উপবাস করলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
[Continue reading...]

মধু উপকারিতা !

- 0 comments
মধু হলো মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ূর্বেদ এবং ইউনানী চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ- এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সকল দেশের সকল পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে।

মধুতে যে সকল উপকরণ রয়েছে এর মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না।

মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে এলুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন- ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড),

[Continue reading...]

মানবজাতির রহস্যময় ৭টি অসুখ!

- 0 comments
আজকাল চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূত পূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। নিত্য-নতুন ওষুধ আর প্রযুক্তির উদ্ভাবন মানুষকে অনেক প্রাণঘাতী রোগের বিরুদ্ধে করেছে জয়ী। কিন্তু তারপরও কিছু রোগের সামনে আজো মানুষ অসহায়। আজকের গল্প এই রোগগুলোকে নিয়েই।(১) এইডস
২৫ বছর আগেই আবিষ্কৃত হওয়া এই রোগের এখনো কোন কার্যকরী প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয় নি। এইচ আই ভি ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট এই রোগটি এখনো মানবজাতির জন্য মাথাব্যথার কারণ। প্রাথমিক ভাবে বানর থেকে এইচ আই ভি ভাইরাস মানুষে সংক্রমিত হয় । মাঝে মাঝে কিছু প্রতিষেধক উদ্ভাবনের কথা শোনা গেলেও সেগুলো খুব কার্যকর ফল দেয় নি।

(২) আলঝেইমার’স ডিজিজ
বার্ধক্যে গেলেই যে মানুষের স্মৃতিবিভ্রাট হবে এমন কোন কথা নেই। এই যেমন আলঝেইমার’স রোগের কথাই ধরা যাক। এটি যাদেরকে আক্রমণ করে তাদের সবার ক্ষেত্রেই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে প্রভাব ফেলে। কিন্তু এর কারণ এখনো অস্পষ্ট। আর একারণে এখনো এর কোন প্রতিষেধক উদ্ভাবিত হয় নি।

[Continue reading...]

Monday, September 30, 2013

প্রাকৃতিক ভাবে আপনার মাথা ব্যথা ভাল করুন...!!!

- 0 comments
আমার অনেকেই সামান্য মাথা ব্যথা হলেই ব্যথার ট্যাবলেট খাই...!!! এটা ঠিক নয়...!! এতে আমাদের লিভারের সমস্যা হতে পারে...আমাদের ব্রেন এর সমস্যা হতে পারে...!! আর সাড়াটা সরিল তো রয়েই গেলো...!!! তাই প্রাকৃতিক ভাবে আমার অনেকেই সামান্য মাথা ব্যথা হলেই ব্যথার ট্যাবলেট খাই...!!! এটা ঠিক নয়...!! এতে আমাদের লিভারের সমস্যা হতে পারে...আমাদের ব্রেন এর সমস্যা হতে পারে...!! আর সাড়াটা সরিল তো রয়েই গেলো...!!! তাই প্রাকৃতিক ভাবে আপনার মাথা ব্যথা ভাল করুন...!!!

মাথা ব্যথা নিরাময়ের শরবত !
[Continue reading...]

Sunday, September 29, 2013

♥☻কোমরে ব্যথায় ১০ পরামর্শ ☻♥

- 0 comments
কোমরে ব্যথা নিরাময়ে যেমন ব্যায়াম জরুরি, তেমনি সতর্কতাও কাজে আসে।

১. নিচ থেকে বা মাটি থেকে কিছু তুলতে হলে না ঝুঁকে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন ও তারপর তুলুন।
২. ঘাড়ে ভারী কিছু ওঠাবেন না। ভারী জিনিস শরীরের কাছাকছি রাখুন। পিঠে ভারী কিছু বহন করতে হলে সামনে ঝুঁকে বহন করুন।
৩. ৩০ মিনিটের বেশি একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে উঁচু হিল পরবেন না। অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন। একটু বসে বিশ্রাম নিন।
৪. গাড়ি চালানোর সময় স্টিয়ারিং হুইল থেকে দূরে সরে না বসে সোজা হয়ে বসুন।
৫. চেয়ার টেবিল থেকে বেশি দূরে থাকবে না। সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না। কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন। এমনভাবে বসুন, যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে। নরম গদি বা সিপ্রংযুক্ত চেয়ার পরিহার করুন। ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন।
৬. উপুড় হয়ে শোবেন না। ফোম বা সিপ্রংয়ের গদিযুক্ত বিছানা পরিহার করুন। বিছানা শক্ত ও চওড়া হলে এবং তোশক পাতলা ও সমান হলে ভালো।

[Continue reading...]

Friday, September 27, 2013

জিরো ফিগার — কতদূর?

- 0 comments
জিরো ফিগার — কতদূর?
আসলে এ কথার জবাব দেয়াটা একটু কঠিন। বর্তমান সময়ে জিরো ফিগার কথাটার সাথে আমরা সুপরিচিত। হলিউড কিংবা বলিউডের নায়িকা এবং মডেলরা এই কাংখিত লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য কত কসরতই না করছেন। অনেকে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিয়ে রীতিমতো মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়ছেন এমন খবরও অহরহই শোনা যায়।
জিরো ফিগার বা যাই হোক স্বাস্থ্যকর একটি স্লিম শরীরই আমাদের কাম্য হওয়া উচিত, তা না হলে অসুস্থ্ শরীর নিয়ে ভুগতে হতে পারে।
আমাদের লাইফস্টাইল এবং খাবারের ধরণ পরিবর্তন করলে কাংখিত স্লিম ফিগার অবশ্যই অর্জন করা সম্ভব।
নিচের টিপসগুলো থেকে সাহায্য নিতে পারেন:
[Continue reading...]

গরমেও থাকুন সজীব

- 0 comments

rupcare_heat1

এখন বসন্তের মাঝামাঝি হলেও আর কদিন পর যে গ্রীষ্মের দাবদাহ তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যাচ্ছে। চারপাশের ভ্যাপসা গরমে ত্বকের স্বভাবিক সতেজতার নাজেহাল অবস্থা হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও স্বস্তি অনুভব করতে পারেন যদি কিছু বিষয় মেনে চলতে পারেন। তীব্র গরমেও নিজেকে সতেজ রাখার কিছু পদ্ধতি আসুন জেনে নিই।
[Continue reading...]

ওজন বাড়াতে খাবার যেমন হওয়া উচিত

- 0 comments

rupcare_weight4

বর্তমান সময়ে ওজন কমানো অন্যতম একটি আলোচিত বিষয় । নানা পরামর্শ আর নিয়মকানুন এর পসরা সাজিয়ে মানুষ ওজন কমাতে কতো কিই না করছে। তবে ওজন কমানো নিয়ে যেমন অনেকের মাথা ব্যাথা তেমনি ওজন বাড়ানোও অনেকের মাথাব্যাথার কারণ। অনেককেই অভিযোগ করতে শোনা যায় বেশি খাচ্ছে তারপরও ওজন বাড়ছেনা। শরীর রুগ্নই রয়ে যাচ্ছে। যদিও মানুষের ওজন বাড়া বা কমার বিষয়ে জিনগত (বংশগতি) কিছু ব্যপার রয়েছে, তারপরও খাদ্যাভ্যাসও সমান গুরুত্ব বহন করে। খাদ্যাভাস কেমন হওয়া চাই তাদের জন্য যারা ওজন বাড়াতে চান এ সম্পর্কে ডা: কামরুল ইসলাম বলেন, আসলে আমাদের দৈনন্দিন খাবর তালিকাটা এরকম যে কোন একপ্রকার খাবারের প্রধান্য বেশি থাকে।
[Continue reading...]
 
Copyright © . ডাক্তারের পরামর্শ - Posts · Comments
Theme Template by BTDesigner · Powered by Blogger