স্বামী-স্ত্রীর একই গ্রুপ অর্থাৎ একজনের এ+ অন্য জনের বি+ কোন সমস্যা নয়।
তবে একজনের এ+ অন্য জনের বি -নেগেভিট হলে সেক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই বিয়ের পুর্বে রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়া উচিত।
থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার :
থ্যালাসেমিয়ার জন্যে দায়ী জোড়া জিনের একটা অংশ থ্যালাসেমিয়া জিন, আরেক্টা অংশ স্বাভাবিক এরকম কেউ। এদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে রোগটা প্রকাশ পায় না। এটা আপনিও হতে পারেন, আমিও হতে পারি। সারাজীবনটা জিনটাকে বয়ে বেড়ালেও অসুখের উপসর্গ দেখা দেবার সম্ভাবনা নেই।
শিশুরা যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন রক্তের হিমোগ্লবিনকে বলে হিমোগ্লবিন এফ (HBF)। জন্মের পরে তা পরিনত হিমোগ্লবিনে পরিনত হয়।
থেলাসেমিয়াতে HBF পরিনত হিমোগ্লোবিনে রুপান্তরিত হয় না। ফলে তা ১২০ দিনের আগেই ভেঙে যায়। ১২০ হলো পরিনত হিমোগ্লবিনের লাইফ সাইকেল।
থেলাসেমিয়া ২ রকমের। মাইনর ও মেজর।
মাইনরে ২৫% হিমোগ্লবিন HBF থাকে। ফলে মাইনর প্যাশেন্ট স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।
মেজরে ৭৫% এর বেশী HBF থাকে। ফলে হিমোগ্লোবিন নির্দিস্ট সময়ের আগেই ভেঙে যায় এবং রোগী অস্বাভাবিক রক্ত শুন্যতায় ভুগতে থাকে।
যদি বাবা ও মার দুজনেরই থেলেসেমিয়া মাইনর থাকে তাহলে বাচ্চা মেজর হবে।
এক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপের কোনো সম্পর্ক নাই। বিকলাংগ হবারও কোনো সম্ভাবনা নাই।
থেলাসেমিয়া রক্তের গ্রুপের কোনো সমস্যা নয়, বোন মেরুর সমস্যা যা হলো হিমোগ্লোবিনের কারখানা।
যদি বাবা পজেটিভ ও মা নেগেটিভ রক্তের (একই গ্রুপের) হয় এবং বাচ্চা পজেটিভ হয় তাহলে ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা হতে পারে।
কিন্তু, এখন মাকে এন্টিডি ভ্যাকসিন দেয়া হয়, তাই ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রেও জটিলতার সম্ভাবনা ০%। ১ম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনোই সমস্যা নাই।
আর যদি বাচ্চা নেগেটিভ হয় তবে কোনোই সমস্যাই নাই।
বাবা নেগেটিভ, মা পজেটিভ হয় এবং বাচ্চার নেগেটিভ হয় তবে বাচ্চাকে এন্টিডি দেয়া হয়।
বাবা নেগেটিভ, মা পজেটিভ এবং বাচ্চাও পজেটিভ; তবে কোনোই সমস্যা নাই।
বাবা ও মায়ের রক্তের গ্রুপ এক এবং আর এইচ ফেক্টর (পজেটিভ/নেগেটিভ) একই হলে কোনো সমস্যা হয় না বাচ্চার ক্ষেত্রে।
http://medicaladvicebd.blogspot.com
তবে একজনের এ+ অন্য জনের বি -নেগেভিট হলে সেক্ষেত্রে বিকলাঙ্গ হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই বিয়ের পুর্বে রক্তের গ্রুপ জেনে নেওয়া উচিত।
থ্যালাসেমিয়া ক্যারিয়ার :
থ্যালাসেমিয়ার জন্যে দায়ী জোড়া জিনের একটা অংশ থ্যালাসেমিয়া জিন, আরেক্টা অংশ স্বাভাবিক এরকম কেউ। এদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে রোগটা প্রকাশ পায় না। এটা আপনিও হতে পারেন, আমিও হতে পারি। সারাজীবনটা জিনটাকে বয়ে বেড়ালেও অসুখের উপসর্গ দেখা দেবার সম্ভাবনা নেই।
শিশুরা যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন রক্তের হিমোগ্লবিনকে বলে হিমোগ্লবিন এফ (HBF)। জন্মের পরে তা পরিনত হিমোগ্লবিনে পরিনত হয়।
থেলাসেমিয়াতে HBF পরিনত হিমোগ্লোবিনে রুপান্তরিত হয় না। ফলে তা ১২০ দিনের আগেই ভেঙে যায়। ১২০ হলো পরিনত হিমোগ্লবিনের লাইফ সাইকেল।
থেলাসেমিয়া ২ রকমের। মাইনর ও মেজর।
মাইনরে ২৫% হিমোগ্লবিন HBF থাকে। ফলে মাইনর প্যাশেন্ট স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।
মেজরে ৭৫% এর বেশী HBF থাকে। ফলে হিমোগ্লোবিন নির্দিস্ট সময়ের আগেই ভেঙে যায় এবং রোগী অস্বাভাবিক রক্ত শুন্যতায় ভুগতে থাকে।
যদি বাবা ও মার দুজনেরই থেলেসেমিয়া মাইনর থাকে তাহলে বাচ্চা মেজর হবে।
এক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপের কোনো সম্পর্ক নাই। বিকলাংগ হবারও কোনো সম্ভাবনা নাই।
থেলাসেমিয়া রক্তের গ্রুপের কোনো সমস্যা নয়, বোন মেরুর সমস্যা যা হলো হিমোগ্লোবিনের কারখানা।
যদি বাবা পজেটিভ ও মা নেগেটিভ রক্তের (একই গ্রুপের) হয় এবং বাচ্চা পজেটিভ হয় তাহলে ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা হতে পারে।
কিন্তু, এখন মাকে এন্টিডি ভ্যাকসিন দেয়া হয়, তাই ২য় বাচ্চার ক্ষেত্রেও জটিলতার সম্ভাবনা ০%। ১ম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনোই সমস্যা নাই।
আর যদি বাচ্চা নেগেটিভ হয় তবে কোনোই সমস্যাই নাই।
বাবা নেগেটিভ, মা পজেটিভ হয় এবং বাচ্চার নেগেটিভ হয় তবে বাচ্চাকে এন্টিডি দেয়া হয়।
বাবা নেগেটিভ, মা পজেটিভ এবং বাচ্চাও পজেটিভ; তবে কোনোই সমস্যা নাই।
বাবা ও মায়ের রক্তের গ্রুপ এক এবং আর এইচ ফেক্টর (পজেটিভ/নেগেটিভ) একই হলে কোনো সমস্যা হয় না বাচ্চার ক্ষেত্রে।
http://medicaladvicebd.blogspot.com


0 comments:
Post a Comment