Sunday, September 8, 2013

একটি সচেতনতা মুলক পোষ্ট

::: একটি সচেতনতা মুলক পোষ্ট :::

এই বিষয়ক একটি সংক্ষিপ্ত দেয়া হয়েছিল। আজ বিস্তারিত পড়ুনঃ



মোবাইল ফোনের মাইক্রোওয়েব প্রতিদিন মস্তিষ্ক গ্রহণ করলে একটা সময় এসে তা মানুষের জৈবিক ও শারীরিক ক্ষেত্রে কঠিন পরিণতি বয়ে আনতে পারে।’’ অধ্যাপক লেইফ সালফোর্ড, সুইডেনের লান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রধান। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আশংকা করছেন, মোবাইল ফোনের ব্যবহার বাড়তে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তা বিরাট বিপর্যয় বয়ে আনবে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২০ কোটি ৮০ লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী রয়েছে। সেল ফোন ইন্ডাস্ট্রিজে’র সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক ড. জর্জ কার্লো বলেন, ২০১০ সালে সেলফোন ব্যবহারের ফলে সারা বিশ্বে ৫ লাখ ব্যবহারকারী মস্তিষ্ক ও কানের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, সেলফোন বিকিরণ স্বাস্থ্যের ওপর বিভিন্ন প্রভাব ফেলে। যেমন: মাথাব্যাথা, উচ্চ রক্তচাপ, ব্রেইন টিউমার, ক্যান্সার, আলজেইমার সহ নানা রোগ । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক পরিচালিত 'ইন্টারফোন নামে একটি গবেষণায় বলা হয়, যারা দশ বছর ধরে দিনে আধ ঘন্টার বেশি সেলফোন ব্যবহার করেছে, তাদের মারাত্মক মস্তিষ্ক টিউমারের সম্ভাবনা বেড়েছে। এই গবেষণাটির জন্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেলফোন ব্যবহার মানবদেহে ক্যান্সারের সম্ভাব্য কারণগুলির একটি।



শরীরের জন্য ক্ষতিকর সেলফোন রেডিয়েশন থেকে মুক্তির ১০টি উপায় রয়েছেঃ

১. যথাসম্ভব যে কোন কলকে সীমিত রাখার চেষ্টা করুন এবং প্রতিটি কল সংক্ষিপ্ত করুন। কেননা দুই মিনিট মোবাইলে কথা বললে তা আপনার
মস্তিষ্কের প্রাকৃতিক ইলেকট্রিক্যাল কার্যক্রমকে এক ঘন্টা পর্যন্ত স্তমিত
করে দিতে পারে।

২. কেবল জরুরী প্রয়োজনে শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেয়া উচিত। কেননা শিশুদের বাড়ন্ত বয়সে মোবাইল ব্যবহার করলে মোবাইলের রেডিয়েশন তার মস্তিকের স্কাল গঠনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. কথা বলার সময় বায়ু নল হেডসেট ব্যবহার করুন তবে এতে নিয়মিত তারযুক্ত হেডসেট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। কেননা তারযুক্ত হেডসেট কানের ক্যানেলে তীব্র বিকিরণ সৃষ্টি করে।

৪. ব্যবহারের সময় কিংবা মোবাইল চালু থাকা অবস্থায় পকেটে বা বেল্টের সঙ্গে সেলফোন রাখবে না। কেননা শরীরের চামড়ার নিচে অবস্থিত নরম টিস্যু দ্রুত মোবাইলের বিকিরণ শুষে নিতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষেরা প্যান্টের পকেটে মোবাইল রাখে তাদের বীর্য ৩০ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়।

৫.যদি হেডসেট ছাড়া ফোন ব্যবহার করেন। তখন মোবাইল যতক্ষণ না পর্যন্ত কানেক্ট দেখায় ততক্ষণ পর্যন্ত ফোন কানের কাছে ধরে রাখা থেকে বিরত থাকুন।

৬. মোবাইল কোন বদ্ধ ধাতব জায়গায় ব্যবহার করবেন না। যেমন: যানবাহন কিংবা লিফটের মধ্যে। কারণ ধাতু ঘের এলাকায় মোবাইল ‘ফ্যারাডে কেজ’ হিসেবে কাজ করে। এই কেজ বিকিরণকে ধরে রাখে ।
ফলে মোবাইল ব্যবহারকারীর শরীরে বিকিরণ প্রতিফলিত হয়।

৭. নেটওয়ার্ক কম থাকাকালীন সময়ে কারো মোবাইলে কল দিবেন না ।

৮. কম স্পেসিফিক অ্যাবজরপশন রেটের মোবাইল বা কম বিকিরণ সমৃদ্ধ মোবাইল কিনুন। কারণ এতে রেডিও ফিক্রোয়েন্সি কম থাকে।

৯. যখন কোথাও দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নেয়ার প্রয়োজন সেসময় মোবইল ফোন শরীর থেকে দুরে রাখা।

১০. বেশি বেশি পুষ্টগুণ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করুণ । কেননা মাইক্রোওয়েব রেডিয়েশন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই পুষ্টিকর খাবার শরীরের কোন রোগ কিংবা সংক্রামক থাকলে তা প্রতিরোধে করবে।

::: এ পোস্টটি অবশ্যই শেয়ার করুন। এতে আপনার বন্ধুগন সচেতন হবে। আপনাদের সুখী সুন্দর জীবনই আমাদের কাম্য :::

0 comments:

Post a Comment

 
Copyright © . ডাক্তারের পরামর্শ - Posts · Comments
Theme Template by BTDesigner · Powered by Blogger