সুষমা আক্তার
ত্বকে ব্রণের সমস্যা হয়নি এমন মানুষ কমই আছেন। বর্ষা
গরম এমনকি সারা বছর অনেকের ত্বকে ব্রণ হয়। মুখের সৌন্দর্য অনেকটাই কমে যায়
ব্রণের জন্য। অনেক কারণেই ত্বকে ব্রণ হতে পারে। তবে সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে
চললে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
ঞ্ঝ রোদে ত্বকে ঘাম ও তেল জমে। এতে সহজে মুখে ময়লা আটকায়। অনেকক্ষণ ত্বকে ময়লা জমে থাকলেও সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে ত্বকে ব্রণ হয়।
ঞ্ঝ বাড়ি ফিরে অয়েল ফ্রি ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে।
ঞ্ঝ ব্রণ উঠলে এতে হাত বা নখ লাগাবেন না।
ঞ্ঝ ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
ঞ্ঝ দিনে পাঁচবার সাধারণ পানি দিয়ে মুখ ধুবেন।
ঞ্ঝ প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাকসবজি, সালাদ ও হালকা মসলাযুক্ত খাবার রাখুন।
ঞ্ঝ প্রতিদিন পানি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। শুধু পানি খেতে না চাইলে ডাবের
পানি, ঘরে তৈরি জুস ও নিয়ম করে প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস লেবুর শরবত খান।
ঞ্ঝ মুখের ত্বকে একদিন পরপর বরফ ঘষলে ব্রণ আর বাড়বে না।
ঞ্ঝ মুখে ব্রণের দাগ পড়লে নিমপাতা কাঁচা হলুদের পেস্ট মুখে লাগিয়ে রাখুন বিশ মিনিট। এরপর ঠা-া পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন।
ঞ্ঝ ময়দা বা বেসন, দুধ ও মধু দিয়ে তৈরি পেস্টও ব্রণের দাগ কমিয়ে ত্বককে করবে উজ্জ্বল।
ঞ্ঝ রোদ ও ধুলা দুটোই ব্রণের জন্য অপকারী। তাই এ দুটো বিষয়কে এড়িয়ে চলা ভালো।
ঞ্ঝ নিজের প্রসাধনী ও মেকাপের পাফ ও ব্রাশ যেন অন্য কেউ ব্যবহার না করে। নিয়মিত এসব পরিষ্কার রাখুন।
ঞ্ঝ ডাবের পানি ব্রণের দাগ সারাতে সাহায্য করে।
ঞ্ঝ রান্না শেষ করে বা ঘর পরিষ্কার করা শেষ হলে ক্লিনজার দিয়ে আপনার ত্বকটাও পরিষ্কার করে নিন।
ঞ্ঝ সানস্ক্রিন ও ত্বকে জমে থাকা মেকাপের কারণেও ব্রণ হতে পারে। তাই ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
ঞ্ঝ ত্বকে ব্রণ বেশি হলে কসমেটিকস কম ব্যবহার করে ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক ফেসপ্যাক দিয়ে ত্বক পরিষ্কার ও রূপচর্চা করুন।
ঞ্ঝ ত্বকের সুস্থতা নির্ভর করে শরীরের সুস্থতার ওপর। তাই সবার আগে শরীরকে সুস্থ রাখতে হবে।
ঞ্ঝ প্রতিদিন একটি রসালো ফল, টকদই ও শসার রায়তা বা এক বাটি সালাদ খান।
ঞ্ঝ কাঁচা হলুদ আর মসুর ডালের প্যাকও ব্যবহার করতে পারেন।
ঞ্ঝ ত্বকে যদি ব্রণ ও অ্যালার্জির সমস্যা থাকে তবে ত্বক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে ত্বকের পরিচর্যা করুন।
Home » ব্রণ – সমস্যা ও সমাধান ! » ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে
Subscribe to:
Post Comments (Atom)


0 comments:
Post a Comment