Tuesday, September 10, 2013

যমজ বাচ্চা কিভাবে হয়?

অনেকেই আমার কাছে যমজ বাচ্চা কিভাবে হয় তা জানতে চান । আজকে আমি এ নিয়েই আলোচনা করব । একসাথে দুই বা তার বেশি, সাধারনত জোড়া বাচ্চা হওয়াকেই যমজ বলে আখ্যায়িত করা হয় । তবে আসুন, জেনে নেই প্রকৃতির এই রহস্যময় কৌশল>>>>>>
যমজ আসলে দুই ধরনের ।
১. অভিন্ন যমজ(identical twin):
অভিন্ন যমজদের সাধারনতএকটি জাইগোট থেকে সৃষ্টি হয় । ডিম্বাণু যখন শুক্রাণুর সাথে মিলিত হয় তখন তাকে জাইগোট বলে । এই জাইগোট যখন মাইটোসিস বিভাজন প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে শিশু উৎপাদন শুরু করতে যায় তখন প্রথম '''ক্লিভেজ''' বা বিভাজনের সময় দুটি শিশু কোষ একত্রে না থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং আস্তে আস্তে দুটি শিশু গঠন করে ।
অভিন্ন যমজদের চেহারায়এবং কাজে কর্মে সাধারনত বেশ ভালই মিল থাকে । তবে সব বিষয়ে মিল থাকে না ।
২. ভিন্ন যমজ(non identical or fraternal twin)ঃ
ভিন্ন যমজেরা সাধারনত আলাদা জাইগোট থেকে সৃষ্টি হয় । সাধারনত মেয়েদের প্রতিমাসে একটি করে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় । কিন্তু কোনভাবে যদি দুটি ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় তবে এই ভিন্ন যমজ তৈরি হতে পারে । দুটি ডিম্বাণু আলাদাভাবে শুক্রানুর সাথে মিলিত হয় এবং আলাদা বাচ্চা তৈরি করে ।


ভিন্ন যমজদের চেহারা বা আচার আচরনে যথেষ্ট পার্থক্য থাকে । এমনকি এদের একজন ককেশয়েড(সাদা চামড়া) এবং একজন নিগ্রয়েড(কালো চামড়া) হতে পারে ।
ভুল ধারণাঃ
আমাদের মধ্যে অনেক ভুল ধারনা আছে । যেমন, যমজদের একজন ব্যাথা পেলে অন্যজনও ব্যাথা পায় । একজন মারা গেলে আরেকজনও মারা যায় । কিন্তু আসলে এর একটাও সত্য নয় । আর টেস্টটিউব মেথড ছাড়া নিশ্চিতভাবেযমজ বাচ্চা নেওয়ার কোন উপায় নেই । এটা হঠাৎ করেই হয় ।
একটি ঘোষণাঃ
সামনে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা । মেডিকেল ভর্তির জন্য মেডিকেল কোচিং এর পাশাপাশি অনেকে বাসায় এক্সট্রা কেয়ারের জন্য পড়তে চায় । এডমিন একজন এক্সপার্ট টিচার । ঢাকায় যারা এক্সপার্ট টিচার খুঁজছেন তারা ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন । কমেন্টে বলবেন না । ইনবক্স করবেন । এবং বাজে কমেন্ট করবেন না ।
বিঃদ্রঃ
লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন পেজ এ । নইলে আমরা হারিয়ে যাব আপনার ওয়াল পেজ থেকে।

0 comments:

Post a Comment

 
Copyright © . ডাক্তারের পরামর্শ - Posts · Comments
Theme Template by BTDesigner · Powered by Blogger